সুব্রত বাইন
Wikicrime, বাংলাদেশের উন্মুক্ত অপরাধ ও গোয়েন্দা তথ্যকোষ থেকে।
পাবলিক রেকর্ড ও তথ্য সতর্কতা ডিসক্লেমার[দেখুন]
এই নিবন্ধটি Wikicrime Bangladesh পাবলিক রেকর্ড উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত। অন্তর্ভুক্ত তথ্যসমূহ আদালতের নথি, পুলিশ চার্জশিট ও প্রকাশিত সংবাদের নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের মাধ্যমে সংগৃহীত।
সূচিপত্র[দেখুন]
১. বিবরণ ও পটভূমি
সুব্রত বাইন (ছদ্মনাম ফাতেহ আলী খান, ওরফে "ত্রিমূর্তি") বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আলোচিত সংগঠিত অপরাধ জগতের একটি নাম। তিনি মগবাজারভিত্তিক সেভেন স্টার গ্রুপ সিন্ডিকেটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ নেতা।
জন্ম ও বেড়ে ওঠা
বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার জোবারপার গ্রামে জন্ম। পরে ঢাকার মগবাজারে বড় হন। শুরুতে চাংপাই নামের একটি রেস্তোরাঁয় কাজ করতেন।
অপরাধ জগতে প্রবেশ
১৯৯১ সালের দিকে অপরাধজগতে প্রবেশ করেন — অভিযোগ অনুযায়ী আগারগাঁওয়ে জাসদ ছাত্রলীগের এক নেতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে। ১৯৯০-এর দশকে মগবাজারে বিশাল সেন্টার শপিং কমপ্লেক্সকে কেন্দ্র করে তার উত্থান ঘটে।
ধর্মান্তর ও নতুন পরিচয়
পরবর্তীতে খ্রিষ্টান ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে ফাতেহ আলী খান নাম গ্রহণ করেন।
সেভেন স্টার গ্রুপ
আমিন রসুল সাগর (ওরফে "টোকাই সাগর")-এর সঙ্গে যৌথভাবে সেভেন স্টার গ্রুপ প্রতিষ্ঠা ও নেতৃত্ব দেন। মগবাজারভিত্তিক এই সিন্ডিকেট ১৯৯৮ সাল থেকে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও গ্যাং সংঘর্ষের জন্য কুখ্যাতি অর্জন করে।
উল্লেখযোগ্য মামলা
২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার (যাতে ২৩ জন নিহত হন) সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে, যা তিনি অস্বীকার করেছেন। সহ-আসামির জবানবন্দিতে তার নাম উঠে আসে।
পলায়ন ও গ্রেপ্তার
২০০১ সালে ইন্টারপোল রেড নোটিশের পর ভারতের কলকাতায় পালিয়ে যান। ২০০৮ সালে কলকাতায় গ্রেপ্তার হন, পরে নেপালে পালিয়ে যান এবং ২০১২ সালে নেপালের ঝুমকা কারাগার থেকে ৭৭ ফুট লম্বা সুড়ঙ্গ খুঁড়ে পালান। পরে পুনরায় গ্রেপ্তার হন।
সর্বশেষ অবস্থা
২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর আবার প্রকাশ্যে আসেন। ২০২৫ সালের ২৭ মে কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন, সহযোগী মোল্লা মাসুদের সঙ্গে। হাতিরঝিল অস্ত্র মামলায় অভিযোগ গঠনের মুখোমুখি এবং একাধিক অভিযোগে বিচারের অপেক্ষায় কারাগারে আছেন।
তথ্যসূত্র
ডেইলি স্টার, প্রথম আলো, বাংলাদেশ পোস্ট, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, উইকিপিডিয়া।
২. অপরাধ কর্মকাণ্ড ও আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণ এলাকা
প্রধান কার্যক্রম এলাকা: Dhaka বিভাগ (ঢাকা জেলা)।
প্রধান অপরাধের ধরন: Gang & Syndicate।
বর্তমান আইনি অবস্থা: হেফাজতে আবদ্ধ (ঝুঁকির মাত্রা: severe)।
৩. গ্যাং সংযোগ ও সহযোগী অপরাধীবৃন্দ
৪. পুলিশ মামলা ও আইনি নথি টাইমলাইন
৫. তথ্যসূত্র ও বহিরাগত সংযোগ
- বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স বার্ষিক রেকর্ড (২০০৪-২০২৬)।
- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আদালত নথি ও চার্জশিট।
- সাইবার ক্রাইম ও স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন বুলেটিন।


